সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ম্যাকোর পর তুফানগঞ্জ থেকে রঞ্জিতে বাংলা দলে জায়গা পেল অনন্ত

চিলাখানা:-শিব শঙ্কর পালের (ম্যাকো) পর এবার রঞ্জি ট্রফিতে জায়গা করে নিল কোচবিহারের তুফানগঞ্জ মহকুমার এক ক্রিকেটার। চিলাখানার বাসিন্দা ওই ক্রিকেটারের নাম অনন্ত সাহা। দ্রুত গতির বোলার হিসেবে রঞ্জিতে সুযোগ হয়েছে তাঁর। আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে কলকাতায় পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সে। চরম দারিদ্রতার মধ্যে ক্রিকেট খেলে রঞ্জিতে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে অনন্ত। চিলাখানা বাজারে বাবার ছোট্ট মুদির দোকান দিয়ে তাঁদের সংসার চলত। কিন্তু বছর পাঁচেক আগে বাবার মৃত্যুতে আরও সঙ্কটের মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের। দুই ভাই ও তিন দিদির মধ্যে সবার ছোট অনন্ত। এই চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও পাড়ার ক্রিকেটে প্রতিভা দেখায় সে। তার প্রতিভা দেখে পাশে দাঁড়ান চিলাখানার বাসিন্দা উত্তম সাহা(পাপাই)। তিনিই তাঁকে খেলার জন্য ব্যাট, বল, জামা, জুতা থেকে শুরু করে খেলার সব সামগ্রী কিনে দিতেন। মহকুমা ও জেলা স্তরের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় খেলে নিজের দক্ষতা দেখিয়েছেন। ফলে এক সময় শিব শঙ্কর পালের নজরে পড়ে অনন্ত। তাঁকে কোলকাতায় নিজের কোচিং ক্যাম্পে জায়গা করে দেন শিব শঙ্কর পাল। নিজে হাতে তাঁকে প্রশিক্ষন দিয়ে তৈরি করেন। সেখান থেকেই তিনি রঞ্জিতে জায়গা করে নিয়েছেন। অনন্তের কথায়, “শুরুতে পাপাইদার সাহায্য না পেলে আজকে আমি এখানে আসতে পারতাম না। ব্যাট বল কেনার টাকা ছিল না। তিনিই আমাকে সব ব্যাবস্থা করে দিতেন।” পাশাপাশি রঞ্জিতে সুযোগ পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সমীর চক্রবর্তী, তার কোচ শিব শঙ্কর পালকে। অনন্ত বলেন, “পাপাই দা, সমীর দা ও আমার কোচ শিব শঙ্কর পালের জন্য আজকে আমার রঞ্জিতে খেলার সুযোগ হচ্ছে। আমি আরও অনেক দূর এগোতে চাই। জাতীয় টিমে খেলা আমার মূল লক্ষ্য।” কোচ শিব শঙ্কর পাল বলেন, “এটা খুব ভালো খবর যে আমার কোচিং ক্যাম্প থেকে রঞ্জি ট্রফিতে সুযোগ পেয়েছে। ওকে ওর ফোকাস ঠিক রাখতে হবে। এটা শুরু তাঁকে আরও আনেক এগিয়ে যেতে হবে। আরও বেশি করে পরিশ্রম করতে হবে।” অনন্তের পাশাপাশি কে.সি. নাইডু কাপে আন্ডার ২৩ এ অলরাউন্ডার হিসেবে খেলতে সৌরাষ্ট্র যাচ্ছে তুফানগঞ্জের সোভম সরকার। তার বাড়ি তুফানগঞ্জের বিধানপল্লি এলাকায়। সোভমোও শিব শঙ্কর পালের কলকাতার কোচিং ক্যাম্প থেকে উঠে এসেছে। একসময় তুফানগঞ্জ থেকে উঠেছিলেন শিব শঙ্কর পাল। যিনি ম্যাকো নামে পরিচিত। রঞ্জি থেকে জাতীয় দলে ঢোকারও সুযোগ হয়েছিল তাঁর। এখন তাঁর হাট ধরে তুফানগঞ্জ থেকে একের পর এক ক্রিকেটার উঠে আসায় খুশি সেখানকার বাসিন্দারা।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।