সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বছরে ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারন হল মদ


বিশেষ প্রতিবেদন:- অ্যালকোহলের কারনে বছরে ৩০ লাখ মানুষ মারা যায়। আরও বলা হয় বিশ্বে প্রতি ২০টি মৃত্যুর মধ্যে একটিই হচ্ছে এই কারণে। মদ, বিয়ার, ওয়াইনসহ নানা ধরনের অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পানের এই প্রাণঘাতী ফলাফলের কথা জানাল খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। শুক্রবার সন্ধ্যায় চোখ কপালে ওঠা এই পরিসংখ্যান জানা গেল সদ্য প্রকাশিত হু’র ‘গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট অন অ্যালকোহল অ্যান্ড হেলথ, ২০১৮ থেকে। WHO জানিয়েছে অ্যালকোহল নানাভাবে মৃত্যু ডেকে আনছে। যত মানুষ এর বলি হচ্ছে, তার ২৮ শতাংশের মৃত্যু হচ্ছে অ্যালকোহলযুক্ত ড্রিঙ্কস পান করার পর মারামারি, মারাত্মক ক্ষত, পথ দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে। ২১ শতাংশের মৃত্যুর কারণ নানা ধরনের পেটের অসুখে। অ্যালকোহলের কারণে আরো ১৯ শতাংশের মৃত্য হয় হার্টের অসুখে। অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় সেবনের কারণে বাদবাকি মৃত্যু হয় নানা ধরনের সংক্রামক অসুখ, ক্যান্সার, মানসিক সমস্যা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার জন্য। তারা আরো জানিয়েছে, অ্যালকোহলযুক্ত যত ধরনের পানীয় মানুষ সেবন করছে, তার ৪৫ শতাংশই বিভিন্ন ধরনের মদ। ৩৪ শতাংশ হল বিয়ার এবং ১২ শতাংশ হলো ওয়াইন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বর্তমানে পৃথিবীতে ২৩০ কোটি মানুষ অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় সেবন করেন। এর মধ্যে ২৩ কোটি ৭০ লাখ পুরুষ এবং ৪ কোটি ৬০ লাখ মহিলা নানা ধরনের শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। ইউরোপীয় দেশগুলোতে এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। অ্যালকোহল পানের ফলে যত নারী-পুরুষ ভুগছে, তার মধ্যে ১৪.৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩.৫ শতাংশ নারীই বাস ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। এরপরই খারাপ অবস্থা বেশি আমেরিকায়। পুরুষ ও মহিলাদের ক্ষেত্রে এই পরিসংখ্যান যথাক্রমে ১১.৫ শতাংশ এবং ৫.১ শতাংশ। আরো উদ্বেগজনক বিষয় হল, আগামী ১০ বছরে অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় সেবনের প্রবণতা আরো বাড়বে। বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিস্তীর্ণ অঞ্চলে।
অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কতটা অ্যালকোহল গড়পড়তা একজন মানুষ গ্রহণ করেন? Who জানিয়েছে, মদ্যপায়ীদের ক্ষেত্রে গড়ে ১৫০ মিলিলিটার করে দু’ গ্লাস ওয়াইন বা ৭৫০ মিলি বিয়ার বা ৪০ মিলি করে দু’টি শট মদ। তবে যে পানীয় প্রীতিই থাকুক না কেন, এ কারণে প্রতিদিন পানরসিকদের শরীরে ঢুকছে ৩৩ গ্রাম করে অ্যালকোহল!কারা বেশি অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় সেবন করছেন?মারাত্মক চিত্রটি হল, বিশ্বে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেমেয়ে এবং সদ্য প্রাপ্তবয়স্কদের কমপক্ষে চার ভাগের এক ভাগই অ্যালকোহল পান করছে। এর হার ইউরোপে সবচেয়ে বেশি— ৪৪ শতাংশ। তারপর আসছে আমেরিকা এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষ— ৩৮ শতাংশ। তাহলে কি ভালো খবর নেই?WHO জানিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ইউরোপে গড়ে তিন শতাংশ মদ্যাপান কমেছে। কিন্তু, তিন শতাংশ করে বিয়ার ও ওয়াইন পান বেড়েও গেছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।