সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মেয়েদের হাত ধরে কমনওয়েলথে আজও জোড়া সোনা ভারতের।

ভারোত্তোলনে ভারতের সোনার ভার বেড়েই চলেছে। মীরাবাই চানু, সঞ্জিতা চানু, সতীশ শিবলিঙ্গম এবং বেঙ্কট রাহুল রাগালার পর এ বার সোনা জিতলেন পুনম যাদব।৬৯ কেজি ক্যাটেগরিতে স্ন্যাচ ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক পর্যায়ে দেশকে পঞ্চম সোনা এনে দিলেন পুনম।ইভেন্টের প্রথম থেকেই বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখাচ্ছিল তাঁকে।স্ন্যাচে পর পর তিনটে প্রচেষ্টায় ৯৫, ৯৮ এবং ১০০ কেজি তোলেন।ক্লিন অ্যান্ড জার্ক-এ ১১৮ ও ১২২ কেজি তুলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের সারা ডেভিসকে পিছনে ফেলে দেন। উত্তরপ্রদেশের ছোট্ট একটা গ্রাম চাঁদমারি জন্ম পুনমের। আর্থিক অনটনের মধ্যেও অটল থেকে ভারোত্তোলনের কাজটা কিন্তু চালিয়ে গিয়েছেন। আর এ কাজে তাঁকে সর্বক্ষণ অনুপ্রাণিত করে গিয়েছেন তাঁর দিদি ও জ্যেঠু।২০০৪-এ এশিয়ান জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ-এ অংশ নেন।২০১৪-য় গ্লাসগো কমনওয়েলথে ৬৩ কেজি ক্যাটেগরিতে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন তিনি।ছোট্ট একটা গ্রাম থেকে কমনওয়েলথের মঞ্চে উঠে আসা এবং শুধু তাই নয় সোনা জিতে দেশকে গৌরবান্বিত করাই ছিল তাঁর স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নই সাকার করে ছাড়লেন পুনম।শুধু ভারোত্তোলনই নয়,মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার পিস্তল শুটিংয়ে বাজিমাত করলেন মানু ভাকার। ওই ইভেন্টেই রুপো জিতেছেন হিনা সিন্ধু।পুরুষ বিভাগে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ব্রোঞ্জ জিতেছেন রবি কুমার।এখনও পর্যন্ত ভারতের মোট পদকের সংখ্যা—সোনা-৬,রুপো-২,ব্রোঞ্জ-২।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।