সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দীর্ঘ ৩৪ বছর পর জগন্নাথ মন্দিরে ঘটবে সেই ঘটনা! ঢুকতে দেওয়া হবে না কাউকে।

নিজস্ব প্রতিবেদন,পুরী:-দেশের অন্যতম মন্দিরগুলির মধ্যে অন্যতম পুরীর জগন্নাথদেবের মন্দির।শুধু নামেই নয়,ধনীতম মন্দিরগুলির মধ্যে একটা সেটি।বছরে কয়েক কোটি ভক্ত সমাগম হয় সেখানে।মানত হিসাবে জগন্নাথদেবকে কেউ না কেউ দান করে থাকেন।সেই তালিকায় হিরে-সোনা তোঁ রয়েছেই।আর এই সবগকিছুই চলে যায় মন্দিরের রত্ন-ভান্ডারে। যে কোনও উৎসব-অনুষ্ঠানে জগন্নাথদেব,বলরাম ও সুভদ্রাকে সাজানোর জন্য এই সমস্ত ভাণ্ডারের অলংকারই ব্যবহৃত হয়।কাউকে এই সমস্ত জায়গাতে ঢুকতে দেওয়া হয় না।গত ১৯৮৪ সালে মাত্র তিনটি কক্ষ খোলা হয়েছিল পরিদর্শনের জন্য।ভান্ডারে থাকা সাতটি কক্ষের মধ্যে মাত্র তিনটেতে ঢোকার সুযোগ হয়েছিল।কিন্তু তার পরে কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ৩৪ বছর।কেউ সেখানে পা রাখতে পারেনি।কিন্তু এবার সেই রত্ন ভান্ডারের পরিকাঠামো পরীক্ষা নিরীক্ষা করার আদেশ দিয়েছে ওড়িশা হাই কোর্ট। প্রসঙ্গত,২০১৬ সাল থেকেই ভারতের আর্কিওলজিকাল সার্ভে (এএসআই) পুরীর মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করছে।কোর্টের নির্দেশ অনুসারে,আজ ৪ এপ্রিল জগন্নাথদেবের রত্ন ভাণ্ডারে প্রবেশ করবেন ১০ জন ব্যাক্তি।এবং সেই সময়ে মন্দিরে কোনও ভক্তকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী,যে দশ জন ভাণ্ডারে প্রবেশ করবেন,তার মধ্যে থাকবেন পুরী মন্দিরের গজপতি মহারাজ ও এএসআই-এর দু’জন আধিকারিক।যাদের শরীরে শুধুই গামছা ছাড়া কিছুই থাকবে বলে জানা গিয়েছে।দেওয়ালের পরিদর্শন করলেও,রত্ন ছুঁয়েও দেখতে পারবেন না কেউ।আদালতের এই নির্দেশ পাওয়া মাত্র শুরু হয়েছে কক্ষগুলিতে ঢোকার প্রস্তুতি।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।