সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মায়ের স্বপ্ন ছেলের অন্তরে।


        আমাদের জীবনে অনেক ইচ্ছাই থাকে কিন্তু তার মধ্যে মুষ্টিমেয় ইচ্ছাগুলিই হয়তো বা পূরন হয়।যেগুলো পূরন হয় সেগুলো বাদ দিয়ে আমরা বাকি স্বপ্নগুলোকে আমাদের সন্তানদের মাধ্যমে পূরন হওয়ার কথা ভাবি।এমনই এক দ্বৃষ্টান্ত উদাহরণ হল,তুফানগঞ্জের এন.এন.এম হাই স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র নীলাঞ্জন সাহা।তার মা চম্পা সাহার ছোটবেলার ইচ্ছা ছিল তিনি গানের জগতের সাথে জুড়বেন কিন্তু কিছু কারনবশত সেটা হয়ে উঠতে পারেনি।এই স্বপ্ন তিনি তার ছেলের ভেতর দেখছেন।আমরা সাধারণত প্রথম জীবনে স্কুলে ভর্তি হই কিন্তু নীলাঞ্জনের মা তাকে মাত্র তিন বছর বয়সে গানে ভর্তি করে দিয়েছিলেন শ্রীমান রাজু পন্ডিতের কাছে সেই থেকে তার গানের জগতের পথে চলা শুরু।স্কুলে নীলাঞ্জনের একটা নাম আছে,স্কুলে যেকোনও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হলে প্রথমে গান পরিবেশনের জন্য খোঁজ পড়ে নীলাঞ্জনের।



            নীলাঞ্জন ২০০৬ সালে তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত একটি গানের প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে জেলাস্তরে পৌছায় এবং দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।এরপরে সে রাজ্যস্তরে গিয়ে তৃতীয় হয়।পাড়ার প্রায় সব অনুষ্ঠানেই এমনকি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলের শতবর্ষের মতো বড় স্টেজেও তাকে গান গাইতে দেখা যায়,সে প্রধানত রবীন্দ্র সংগীত ও আধুনিক গান পরিবেশন করে।তার ইচ্ছা সে জীবনে এক বড় শিল্পীর শিখরে পৌছানো।আমরা নিউজবেঙ্গল24 পরিবার তার পাশে আছি।আপনারাও তার পাশে থাকুন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।