সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান


বলছে আইআসিটিসি?

নয়াদিল্লি : আর সব ব্যাঙ্কের ডেবিট কার্ড থেকে কাটা যাবে না রেলের টিকিট। শোনা যাচ্ছিল তেমনই। কিন্তু সম্প্রতি রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে এই খবর ঠিক নয় বলে জানানো হয়েছে। এই নিয়ে ট্যুইটারে একটি বিবৃতিও দিয়েছে রেল মন্ত্রক।
কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল, অনলাইনে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে কিছু বাধানিষেধ এনেছে রেল। কয়েকটি ব্যাঙ্কের সঙ্গে সমস্যায় জড়িয়েছে ইন্ডিয়ান রেল ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন। তাই সেই সব ব্যাঙ্কের ডেবিট কার্ড অনলাইনে টিকিট কাটার সময় গ্রাহ্য হবে না। বলা হয়েছিল, গ্রাহকদের থেকে পোর্টালের মাধ্যমে ব্যাঙ্কগুলোর একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা লাভ হয়। তার একটি অংশ ভারতীয় রেলকে দিতে হয়।
সেই অংশ দিতে অস্বীকার করেছে ব্যাঙ্কগুলি। কিন্তু সেটি মিথ্যে বলে জানিয়েছে ভারতীয় রেল। ট্যুইটারে জানানো হয়েছে, কোনও ভিসা বা মাস্টারকার্ড থেকে টিকিট কাটা যাবে না, এমন নয়। সমস্ত কার্ডই অ্যাকসেপ্ট করা হবে।
Debit/Credit cards of all banks are accepted on any payment gateway. No
truth in news of having blocked any card of any bank.
- IRCTC (@IRCTC_Ltd) September 23, 2017
ডিজিটাল পেমেন্টের আইআরসিটিসির সাতটি গেটওয়ে রয়েছে। সেগুলি হল- আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, সিটি ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, পেটিএম, পে ইউ ও আইটিজেড ক্যাশ। এছাড়া অ্যামেক্স কার্ডের জন্য আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাঙ্ক ও রুপে কার্ডের জন্য কোটাক ব্যাঙ্কও রয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডও অ্যাকসেপ্ট করে আইআরসিটিসি।
বর্তমানে ব্যাঙ্কগুলি ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ০.২৫ শতাংশ ও ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ০.৫ শতাংশ চার্জ কাটে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নিয়ম অনুসারেই এই চার্জ কাটা হয়। ১ হাজার টাকার নিচেই বেশিরভাগ টিকিট কাটা হয়। এক্ষেত্রে আইআরসিটিসি ব্যাঙ্কগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে, যথাযথভাবে যেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গাইডলাইন মেনে চলা হয়।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।