সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিজেপি-র পাল্টা প্রতিবাদ মিছিল, রাজপথে শাসক

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যে গুন্ডামি করছে বিজেপি৷ তাঁরা পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন উস্কানির মাধ্যমে রাজ্যে গোলমাল পাকাতে চাইছে৷ এই অভিযোগে শনিবার কলকাতা সহ সারা রাজ্যে প্রতিবাদ মিছিল করল তৃণমূল৷ পাহাড়ে দলের রাজ্য সভাপতি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ অবস্থান দেখিয়েছে বিজেপি৷ তারই পাল্টা হিসেবে এদিন রাজপথে নামল শাসকদল৷ পোড়ানো হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-র কুশপুতুল৷
এদিন দুপুরে কলকাতার ধর্ণতলা, বেহালা, যাদপুর, হাজরা, গড়িয়া সহ একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল করে তৃণমূল৷ বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে জেলায় জেলায়ও৷ ধর্মতলার মিছিলে নেতৃত্ব ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বেহালায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, যাদবপুরে মণীশ গুপ্ত, হাজরায় দেবাশিস কুমার, ইন্দ্রনীল সেন, গড়িয়াহাটে সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও খিদিরপুরের মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম৷ তাঁদের অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিতভাবে রাজ্যে অশান্তি পাকাতে চাইছে৷ সেই লক্ষ্যেই ওরা উস্কানি ছড়াচ্ছে৷
তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘পাহাড় শান্তই ছিল। দিলীপ ঘোষ সেখানে গুন্ডাবাহিনী নিয়ে গিয়ে অশান্তির সৃষ্টি করে মিথ্যে অভিযোগ করছে৷ রাজ্যের মানুষ এই জিনিস বরদাস্ত করবেন না৷ তাই এই প্রতিবাদ মিছিল৷’’ প্রতিটি বিক্ষোভ মিছিলের শেষে অমিত শাহ ও নরেন্দ্র মোদীর কুশপুতুল পোড়ানো হয়৷

তৃণমূল নেতৃত্বর দাবি, শান্ত বাংলাকে অশান্ত করতে চাইছে বিজেপি৷ ওরা বিভেদের রাজনীতি করছে৷ জিএসটি থেকে নোট বাতিলের সিদ্ধান্তেরও তীব্র প্রতিবাদ জানান নেতৃত্বরা৷ তাঁদের কথায়, আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপি-র পরাজয় নিশ্চিত৷ তাই পরিকল্পিতভাবে গোলমালের রাজনীতি করছে ওরা৷ ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এরাজ্যের প্রধান বিরোধী দল যে বিজেপিই এদিনের প্রতিবাদ মিছিলের মাধ্যমে তা কার্যত স্বীকার করে নিল শাসকদল৷

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।