সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শহরের নামী হাসপাতালে চিকিৎসা গাফিলতিতে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ।


ওয়েব ডেস্ক,কলকাতা:- মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুদিন আগেই সমস্ত হসপিটালগুলিকে চিকিৎসা গাফিলতি বিষয়ে  সাবধান করে দিয়েছিলেন।আদতে কি সাবধান হয়েছে হসপিটালগুলি?প্রশ্নের মুখে চিকিৎসা ব্যবস্থা।উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার অন্তর্গত তারাপীঠ গ্রামের বাসিন্দা অনুপ আঢ্য তার বোন সুমিতা আঢ্যকে গত 16/9/2017 তারিখ শনি বার গর্ভবতী অবস্থায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি করেছিলেন এবং গত 19/9/2017 তারিখ মঙ্গলবার সকালে তার বোন কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। আর তার পরেরদিন গত 20/9/2017 তারিখ রাতে তার একমাত্র বোন মারা যায়। 
19 /9/2017 তারিখ শনিবার তার বোনের বাচ্চা হওয়ার পর ওই রাতে 8.30pm নাগাদ প্রচুর রক্তপাত হয় জানতে পেরে তার বোনের স্বামী স্বামী তরুণ আঢ্য রক্ত দেওয়ার জন্য যায়, কিন্তু তা দেওয়া হয়নি। সিজার করা রোগীকে সেলাইন দেওয়া হয় নি।তার মতে,তিনি যখন শনিবার আর রবিবার তার বোনকে দেখতে যান তখন তার বোনকে কোনও স্যালাইন দেওয়া হয়নি। ডাক্তাররা রোগীর ওই গুরুতর  অবস্থা জানা সত্ত্বেও কেনো কোনও স্যালাইন দেয়নি? তার মা ডাক্তার ও নার্স দের কাছে অনেক বার বলেছেন, কিন্তু কেউ দেখেনি। এমনকি তিনি ওখানে উপস্থিত ডাক্তার কে ডাকলে তারা বলে যে, যে ডাক্তার ওকে ভর্তি করেছে সেই দেখবে, আমারা পারবনা।নার্স দের দুই দিন রাতেই ডেকেছেন তিনি,কিন্তু ওরা ফোন নিয়ে ব্যস্ত ছিল যে তার  বোনকে দেখার সময়ও পায়নি।
আমার প্রশ্ন যেকোনও ডাক্তারের ধর্ম রোগীকে সেবা করা,এতে ডিউটি কোথার থেকে আসে?
অনুপ বাবুকে সিকিউরিটিরাও উঠতে দেয়নি।
শেষে অনেক হাতে পায়ে ধরেতিনি উঠতে পেরেছিলেন, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গেছে,তিনি  যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তার  বোনের মৃত্যুর হয়। হয়তো তাকে শেষ বারের মতো দেখার জন্য উনার  আত্মাটুকু উনার শরীরে ছিল, আর তাকে দেখার পরেই সব শেষ।
তিনি পোস্টমটারম করতে দিয়েছিলেন,
কিন্তু আজ পর্যন্ত রিপোর্ট পাননি।
পুলিশ তাদের বারবার একই কথা বলেছে যে, ওসব আমাদের হাতে নেই আমাদের যা যা করার করেছি, এখন ডাক্তার দের রিপোর্ট দেবে।হাসপাতাল থেকেও কোনও যোগাযোগ করেনি তাদের সঙ্গে। এমন কি কোন ডাক্তার তার  বোনের সিজার করেছেন তাও বলছে না।অনুপবাবু অপরাধীদের শাস্তি দাবী করছেন।
Newsbengal24 এই পরিবারের পাশে আছে।
                         (সূত্র:- অনুপ আঢ্যর ফেসবুক পোস্ট)।

মন্তব্যসমূহ

  1. অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এই ভাবে আমাদের বা আমার পাশে এসে দাড়ানো জন্য।
    Thank you so much.

    হা আমি সত্যিই আজ খুব অসহায় হয়ে গেছি। আমারা এক মাত্র ছোট্ট বোনের অকাল মৃত্যুর সুবিচার চাইছি।
    আমি এক জন পুরুষ মানুষ, এক বেলা কাজ করে আমার বাবা মা ও শিশু টির খাবার জোগাড় করে নিতে পারব। তাই আমার ওসব টাকা পয়সা কিছু চাই না। আমি চাই আমার বোনের মৃত্যুর সুবিচার হোক, অপরাধীরা শাস্তি পাক।
    আমার বোন জখন আমার কোলে মারা যাচ্ছে, তথন সেখানে উপস্থিত মহিলা Junior ডাক্তার কে ডাকছি, তো সে আমার মুখের উপর বলে দিল যে " আমি দেখতে পারবনা, যে ভর্তি করেছ সেই দেখবে". এখন আপনারা বলুন এদের শাস্তি হওয়া উচিত কি না!!
    সাস্থ্য মন্ত্রী মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর কাছে হাত জোড় করে অনুরোধ করছি দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন। আমারা বোনের মৃত্যুর সুবিচার করুন।
    দরকার হলে CBI এর জন্য অনুরোধ করছি।
    এক দিন আপনি ই এই ভাবে পশ্চিমবঙ্গ কে দেখেছন। আর আজ আপনার রাজ্যে আপনারি দফতরের অধীনে থাকা অবস্থায় আজ আমার বোনের এই ভাবে মৃত্যু হল। আজ আপনি কি এটা মেনে নিতে পারছেন!?

    আমি কিছু চাই না, আমি আমার বোনের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তাদের চরম শাস্তি চাই।

    উত্তরমুছুন
  2. আপনি সঠিক বিচার পাবেন।সত্যি কখনো চাপা থাকে না।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।