সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

তৃণমূলের রাজত্বে ঘুষ না দিয়ে শ্রীঘরে যুবক

tmc bribery businessman jail

নিজস্ব সংবাদদাতা,শিলিগুড়ি : ঘুষ চাইলে দোষ নেই। কিন্ত ঘুষ চাওয়ার প্রতিবাদ করলেই অন্যায়। তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের সেই ঘুষ চাওয়ার কথা রেকর্ডিং করলে অভিযোগকারীর জায়গা হবে শ্রীঘরে! তৃণমূলের রাজত্বে এটাই নিয়ম। মঙ্গলবার শিলিগুড়ি শহরেরর কাছে আশিঘর এলাকায় ঘটল এমনই ঘটনা। যা শুনে বিরোধীরা বলছেন তৃণমূলের রাজত্বে অনিয়মটাই নিয়ম।
আশিঘরে জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের দুই নম্বর ডাবগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমুলের দখলে। প্রধান সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তার দফতরে যান এলাকার ব্যবসায়ী সজল মন্ডল। তিনি একটি কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার খোলার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে গিয়েছিলেন। সজলের অভিযোগ তিনি প্রধানের কাছে যেতেই প্রধান তাঁর কাছে 50 হাজার টাকা চান। কারণ জানতে চাইলে তাঁকে বলা হয় এলাকার উন্নয়নের জন্য এই টাকা দিতে হবে।
সজল নিজের মোবাইল বের করে পুরো ঘটনা রেকর্ড করা শুরু করতেই পঞ্চায়েত সদস্য ও অফিসের কর্মীরা তাঁকে বাধা দেন। তারপর মোবাইল কেড়ে সজলকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। প্রধানের অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবসায়ী সজল মন্ডলকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। পঞ্চায়েত প্রধান সুধা সিংহ প্রথমে বলেন, “এলাকার উন্নয়নের জন্য কোনও ফান্ড নেই। তাই আমি টাকা চেয়েছিলাম। টাকাটা একটু বেশী চেয়েছিলাম এটা ঠিক কিন্তু তাঁর জন্য উনি আমাদের সঙ্গে সমঝোতা না করে মোবাইলে রেকর্ড করা শুরু করেন। আমরা তো টাকা নিলে তার জন্য স্লিপ দিয়েই থাকি। আমরা বলেই দিয়েছি এলাকার উন্নয়নের জন্যই টাকাটা নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু উনি কোনও কথার উত্তর না দিয়ে আমার দফতরের ভিডিও তোলা শুরু করে দেয় হঠাৎ করে।তাই আমরা পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাই পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।”
বিপদ হবে বুঝতে পেরে পরে প্রধান সুধা সিংহ চট্টোপাধ্যায় নতুন করে বিবৃতি দিয়ে জানান, উন্নয়নের জন্য টাকা নেওয়া হয়। তবে এদিন তিনি সজল মন্ডলের কাছে টাকা চাননি। তাহলে কেন পুলিশকে খবর দেওয়া এবং পুলিশ কেন সজলকে আটক করে নিয়ে গেল তার সদুত্তর দিতে পারেননি প্রধান।
পুলিশ এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। আর ওই যুবক সজল মন্ডলের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী বলেন বেকারদের তিনি স্বনির্ভর করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁর দলের প্রধান ঘুষ নেবেন, প্রতিবাদ করলে পুলিশ অভিযোগকারীকে তুলে নিয়ে যাবে এটাই কি মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যেগ!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।