সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিরোধ ভুলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মুকুলকে আমন্ত্রণ রাহুলের

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুকুল রায় বিজেপিতে আসবেন কিনা এতদিন সেই নিয়ে ছিল জল্পনা, তর্ক-বতর্ক৷ তবে এখন তা মোড় নিয়েছে অন্য দিকে৷ প্রশ্ন, কবে এবং কোথায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূলের একদা সেনাপতি? দিল্লি থেকে গেরুয়া বসন গায়ে চরাবেন তিনি, নাকি কলকাতায় বসে মমতা বধের পথ চলা শুরু করবেন তিনি? তবে এই সব জল্পনার মাঝেই শোনা যাচ্ছে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান হয়েছে তৃণমূলের একদা ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ মুকুল রায়কে৷দলে মুকুলকে নিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রথম থেকেই বন্ধ পরিকর ছিলেন৷ বরং মুকুল ইস্যুতে রাজ্য নেতাদের কার্যত ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ করে রেখেছিলেন তারা৷ সূত্রের খবর, মুকুলকে দলে নেওয়া নিয়ে আড়াআড়ি বিভক্ত ছিল রাজ্য বিজেপি৷ বিশেষ করে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা ও তাঁর গোষ্ঠীর লোকেরা মুকুল রায়কে দলে নেওয়া নিয়ে বিরোধ দেখিয়েছিলেন বলে খবর৷ মুকুল রায়কে দলে নিলে বিজেপির ভাব মূর্তিতে দাগ লাগতে পারে বলে মূলত দুটি কারণ তুলে ধরেছিলেন তারা৷ প্রথমত, সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে মুকুল রায়ের জরিয়ো থাকা৷ দ্বিতীয়ত, মুকুলের গায়ে নারদা স্টিংয়য়ের দাগ থাকা৷এরপরে রাহুল সিনহার জন্মদিনে সেই মুকুল রায়কে আমন্ত্রণ জানান নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মুকুলকে দলে টানতে বদ্ধ পরিকর বুঝে গিয়েই হয়ত বিষয়টিকে আর ঘাঁটাতে চাইছে না রাহুল গোষ্ঠী৷ তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিষ নজরে পড়ার আগেই নিজেদের শুধরে নেওয়ার পথে হাঁটলেন তারা৷ তবে বিষয়টি যে নিতান্তই গুজব নয় তা বোঝা গেল রাহুল সিনহার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে৷ তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন মুকুল রায়কে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি৷ মুকুলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টিকে আমল দিতে রাজি নয় রাহুল গোষ্ঠীও৷ তাদের বক্তব্য, পোর্ট ট্রাস্টের গেস্ট হাউজে হতে চলা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ করা হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের বহু ব্যক্তিকে৷ ফলে এখানে মুকুল রায়ের আমন্ত্রণ পাওয়া এমন কিছু বড় ব্যাপার নয় বলেই তাদের ব্যাখ্যা৷

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।