সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কোচবিহারে আস্ত সরকারি অফিসই চুরি! চক্ষু চরকগাছ কর্মীদের

স্টাফ রিপোর্টার, কোচবিহার: পুজোতে লম্বা ছুটি কাটিয়ে অফিসে এসে চক্ষু চড়কগাছ কর্মীদের। পুজোর ছুটির আগে যে অফিস তাঁরা দেখে গিয়েছিলেন , তা আর নেই! সিলিং ফ্যান, অফিসের অন্যান্য আসবাব, জানলা, দরজা তো বটেই চোরের দল খুলে নিয়ে গিয়েছে ঘরের দেওয়ালের ইটও৷ পড়ে রয়েছে ইটের কিছু দেওয়াল আর ভাঙ্গা অ্যাডবেস্টরের চালা। যেন পরিত্যক্ত কোনও ঘর৷ বুধবার এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল কোচবিহারের কৃষি ও উদ্যানপালন দফতরের আধিকারিকরা। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোচবিহারের কোতয়ালি থানার পুলিশ।কোচবিহারের বিবেকানন্দ স্ট্রিটে রয়েছে জেলা কৃষি দফতর ও উদ্যানপালন বিভাগের অফিস৷ দীর্ঘদিন ধরেই এই অফিস চত্বর থেকে বিভিন্ন সামগ্রী চুরি হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পরিত্যক্ত ঘরগুলি থেকে আগেই ইট, চালা চুরি গিয়েছে। অভিযোগ, বারে বারে এই বিষয়ে পুলিশকে জানানো হলেও পুলিশের ভূমিকা মোটেই সন্তোষজনক নয়৷পরিত্যক্ত ঘরগুলির পাশাপাশি যে সব ঘরে এতদিন অফিস চলছিল, সেই সব ঘরের সিলিং ভেঙ্গে চোরেদের দল পাখাও খুলে নিয়ে গেছে। পুজোর ছুটি শেষ করে অফিসে এসে চক্ষু ছানাবড়া কর্মীদের। এতদিন যে কনফারেন্স রুমে বসে বৈঠক করতেন তাঁরা , তাঁর চিহ্নমাত্রও নেই! পরে রয়েছে কিছু ইটের দেওয়াল৷ অফিসের আসবাবপত্র, পাখার পাশাপাশি দেওয়ালের ইটও খুলে নিয়ে গেছে চোরের দল।জেলা উদ্যানপালন দফতরের আধিকারিক খুরশিদ আলম বলেন, ‘‘পুজোর আগেও যে ঘরগুলিতে কাজ হত, ছুটির পরে এসে দেখি সেখানে কিছুই নেই।’’ তিনি জানান, ‘‘এর আগে পরিত্যক্ত ঘরগুলির ইট , কাঠ সব চুরি হয়ে গেছে৷ এবার যে ঘরে আমরা কাজ করি, সেখানেও চুরির ঘটনা ঘটল৷’’ একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, আগেও পুলিশে অভিযোগ করেছি৷ কিন্তু কিছুই লাভ হয়নি।
জানা গিয়েছে, এই স্থানে বেশ কয়েকটি অফিস থাকলেও রাত পাহারার কোনও ব্যবস্থা নেই৷ আর সেই সুযোগের স্বদব্যবহার করে রাতের অন্ধকারে আস্ত অফিসই চুরি করেছে চোরের দল৷ স্বাভাবিকভাবেই ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়৷ উদ্বেগে জেলার সরকারি দফতরের কর্তারাও৷ পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে৷ দোষীদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।