সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মুকুলের সঙ্গে কোচবিহারের কারা , জল্পনা জেলার সর্বত্র

নিউজ বেঙ্গল24,কোচবিহার, ৫ অক্টোবরঃ একদা তৃণমূল কংগ্রেসের সেনাপতি মুকুল রায় এখন তৃণমূল ছাড়া। তিনি বিজেপিতে যাবেন, না বাংলার বুকে নতুন কোনও রাজনৈতিক দলের ভিত স্থাপন করবেন তা এই মুহুর্তে রাজ্য রাজনীতির সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। তবে তিনি যে শাসক দলের ভাঙ্গন ধরাতে সক্ষম তা মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা বড় অংশ ।
সূত্রের খবর কোচবিহার জেলার বেশ কিছু নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে মুকুল রায়ের । এদের মধ্যে যেমন প্রথম থেকে তৃণমূল কংগ্রেস করা মানুষরা আছেন, যারা দলে এখন ব্রাত্য, তেমনি রয়েছেন বাম দল থেকে আসা নেতারা, যারা তৃণমূলে এসে ‘প্রাপ্য সম্মান’ পাননি।
কোচবিহারের রাজনৈতিক বাতাসে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে এই রকম বেশকিছু নাম। এই সব নেতাদের মধ্যে অন্যতম উদয়ন গুহ , একদা সারাভারত ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য সম্পাদক মণ্ডলীর এই সদস্য বছর দুয়েক আগে শাসক দলে নাম লিখিয়ে ছিলেন । বর্তমানে দিনহাটা বিধানসভার বিধায়ক এবং দিনহাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান । মুকুল রায়ের হাত ধরেই তাঁর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান , এমনটাই মনে করে রাজনৈতিক মহল। বর্তমানে জেলার রাজনীতিতে সে ভাবে দেখা যায় না একদা রাজ্যস্থরের এই নেতাকে। বিরোধিরা কটাক্ষ করে বলেন তিনি নাকি রাজ্য ছেড়ে দিনহাটার নেতা হয়েছেন এখন। তবে তাঁর অনুগামীরা মনে করেন তৃণমূল কংগ্রেসে তাঁর যে সম্মান পাওয়া উচিৎ ছিল তা তিনি পাননি। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা তাহলে আবার মুকুল রায়ের হাত ধরতে চলেছেন কি উদয়ন গুহ ?
তবে এই জল্পনা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন তিনি, এই প্রশ্ন তাকে করা হলে তিনি বলেন “এই সব মিডিয়ার কষ্ট কল্পনা” । তিনি এই ধরনের বিষয়কে গুরুত্ব দিতেই নারজ বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন “মমতা ব্যানার্জি যতক্ষন রাজনীতিতে আছেন ততক্ষন কেউই তৃণমূল কংগ্রেসের কোন ক্ষতি করতে পারবেনা , মমতা ব্যানার্জির অনুপস্থিতিতে যদি কেউ অন্যকিছু করতে চায় তবে কিছু হতে পারে”। মমতা ব্যানার্জির জনপ্রিয়তার কাছে এই সব ঘটনা কোনও বিষয় নয় বলেই তাঁর দাবি।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।