সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

সাংসদের বিজয়ার শুভেচ্ছা নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত, জল্পনা

কোচবিহার, ৫ সেপ্টেম্বর: বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করে আলচনার কেন্দ্র বিন্দুতে কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ পার্থ প্রতিম রায়। দশমীর পর থেকেই তিনি দলের বিভিন্ন মন্ত্রী, বিধায়ক ও নেতাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করে আসছেন। আর সেই ছবি ঢালাও করে প্রচার করা হচ্ছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে চলেছে জোর আলোচনা। কেউ বলেছেন, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন। তাই এখন থেকেই জনসংযোগে নেমে পড়েছেন সাংসদ।
আবার এর অন্য সমীকরণও খুজছেন কেউ কেউ! সাংসদ পার্থ প্রতিম রায় দলের জেলা সভাপতি তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অনুগামী বলে পরিচিত। কিন্তু তারপরেও জেলা সভাপতি বিরোধী শিবিরের নেতাদের বাড়িতে গিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। নিজের অনুগামীদের দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন। আর এখানেই অন্য সমীকরণের খোঁজ করছেন কোচবিহারের রাজনৈতিক মহল। দলেরর এক নেতার কথায়, দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের অনুগামী হলেও সম্প্রতি সাংসদের সঙ্গে বেশ বিষয় নিয়ে মত পার্থক্য তৈরি হয়েছে। আর সেই কারনেই সাংসদ জেলা সভাপতির বিরোধী শিবির বলে পরিচিত নেতৃত্বের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে আসছেন। যদিও সাংসদ পার্থ প্রতিম রায় বলেন, “ এর মধ্যে কোন রাজনীতি নেই। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ আমার রাজনৈতিক শিক্ষা গুরু। বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে সবার প্রথমে আমার রাজনৈতিক শিক্ষা গুরুর বাড়িতেই গিয়েছি। তারপর সকলের বাড়িতে।”
জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সাংসদ পার্থ প্রতিম রায় বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দলের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ছাড়াও বনমন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মণ, বিধায়ক উদয়ন গুহ, দলের জেলা সহ সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ, কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান ভূষণ সিং, মাথাভাঙা পুরসভার চেয়ারম্যান লক্ষপতি প্রামানিক, জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শুচিস্মিতা দেবশর্মা, ছাত্র নেতা সাবীর সাহা চৌধুরীর বাড়িতে গিয়ে ইতিমধ্যেই শুভেচ্ছা বিনিময় করে এসেছেন। এমন কি তিনি দলের জেলা সভাপতির বিরোধী শিবিরের নেতা বলে পরিচিত কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীর বাড়িতেও গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু মিহির বাবু বাড়িতে না থাকায় তাঁর সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারেন নি। তবে সাংসদ জানিয়েছেন, বিধায়ক মিহির গোস্বামী ফিরে এলেই তাঁর সঙ্গে দেখা করবেন। পাশাপাশি তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে থাকা ব্লক নেতাদের বাড়িতেও সাংসদ যাবেন বলে জানিয়েছেন। মিহির গোস্বামী গোড়া থেকেই কোচবিহার জেলায় রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বিরোধী শিবিরের নেতা হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও এই মুহূর্তে আরও অনেকের সঙ্গেই তাঁর সুসম্পর্ক নেই বলে রাজনৈতিক মহলের দাবী। আর তারপরেও ওই নেতাদের বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে আসায় সাংসদ এখন কোচবিহারের রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হয়ে উঠেছেন।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।