সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মমতার বাংলায় বিজেপিতে যোগ শতাধিক সংখ্যালঘু মুসলিমের

সিমলাগড়: পঞ্চায়েত নির্বাচনকে মাথায় রেখে সংগঠন বিস্তারে মন দিল ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে জেলায় জেলায় শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি। চলতি মাসেই হুগলী জেলার সিমলাগড়ে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন ৫০০ জন সিপিএম-তৃণমূল কর্মী সমর্থক। এমনই দাবি করেছেন বিজেপির হুগলী জেলা নেতৃত্ব।বিজেপির রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হুগলী জেলা সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে বহু মানুষ বিজেপির পতাকাতলে আসে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, ভারতীয় জনতা পার্টির এই নতুন সদস্যদের তালিকায় রয়েছেন অনেক মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ। মুকুল রায়ের বিজেপি যোগের আভাস মিলতেই মুসলিমরাও বিজেপিতে যোগ দিতে শুরু করেছে বলে মনে ক্রছে রাজনৈতিক মহল।এই হুগলী জেলাতেই রয়েছে মুসলিম সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান ফুরফুরা শরিফ। যা ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম তীর্থ ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। ফুরফুরার পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকির সঙ্গে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে সকলেই অবগত। সাম্প্রতিককালে বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ফুরফুরায় দেখা গিয়েছে পীরজাদা ত্বহার সঙ্গে। এছাড়াও ইদানিং রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে পীরজাদা ত্বহা সিদ্দিকিকে। সব মিলিয়ে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে হুগলী জেলায় একসঙ্গে এতজন মানুষের বিজেপিতে যোগদানের বেশ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মহলে।যদিও এই দলবদলের বিষয়টির সঙ্গে মুকুল রায়ের কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন হুগলী জেলা বিজেপির যুব সহ সভাপতি সুরেশ সাউ। তাঁর মতে, “দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কারণেই সিপিএম-তৃণমূল ছেড়ে ৫০০ কর্মী-সমর্থক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। এদের মধ্যে ১০০ জনেরও বেশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি রয়েছেন।”

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

এক বিরলতর থেকে বিরলতর ব্যাক্তিত্ব যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ আমি এমন এক ব্যক্তিত্বের কথা বলব যা খুবই বিরল।তুফানগঞ্জ এন এন এম হাইস্কুলের প্রাক্তন বায়োলজি শিক্ষক আমাদের সবার প্রিয় মাননীয় কুশল ব্যানার্জি মহাশয় যার প্রত্যেক কথা ছিল অমৃততুল্য,তিনি তুফানগঞ্জ এন.এন.এম হাই স্কুলে মাত্র 25 বছর বয়সে যোগ দেন।তার ব্যাক্তিত্ব ছিল বিরলতর থেকে বিরলতর।আমি যখন প্রথমদিন স্কুলে আসি আমার চোখ প্রথমে খোঁজে সেই ব্যক্তিত্বকে নাম না জানার ফলে আমি চিনতে পারিনি সেদিন কালের প্রবাহে আমি পরিচিতি লাভ করি তার সম্বন্ধে।তিনি যখন ক্লাস করাতেন তার ক্লাসে পিন পড়ারও শব্দ পাওয়া যেত মানে একদম প্সিকটি নট।তিনি খুব বাঙ্গালী জাতির সংস্কৃতিতে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চান তিনি মাঝে মাঝে স্কুলে ধুতি-পাঞ্জাবি পড়ে আসতেন।আর তার সেই পরিচিত তুঁত কালারের ওয়াটার পোলো।তার ব্যাক্তিত্বে আছে নানা শিল্পের মিশ্রণ তিনি একাধারে শিক্ষক,ভালো কবি এবং একজন সুদক্ষ লেখক।তার অসাধারণ কবি প্রতিভার পরিচয় পাওয়া যায় তার ফেসবুক পোস্টে লেখা এই দু-লাইন থেকে -
"আকাশ, বৃষ্টি হও.... ষোড়শীর পিঠের ওপর কালো সাপের কুন্ডলী, তাতে একটা গন্ধরাজ বা শ্বেত করবী... কাজল চোখে দূর খেতের ছায়া পড়ে…

ফের প্রকাশ্যে বিয়ার পার্টি তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।

তুফানগঞ্জ,স্টাফ রিপোর্টার:-দিনের আলোতেই প্রকাশ্যে বসল বিয়ার পার্টি।ঘটনাস্থল তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।অংশগ্রহণকারী সদস্যরা হল একদল কিশোর-কিশোরী।এই ঘটনায় আরও একবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হল রেল কর্তৃপক্ষকে। মঙ্গলবার বিকেলে ৪টা নাগাদ আট-নয়জন কিশোর কিশোরীর একটি দল বিয়ার নিয়ে উপস্থিত হয় তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন স্টেশনে উপস্থিত নিত্যযাত্রীরা।এদিকে এই ঘটনা সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করা হলে তারা জানায় এই ঘটনাটি তাদের অজানা ছিল।
এমনিতেই তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন নিয়ে তুফানগঞ্জবাসীর অভিযোগের শেষ নেই।নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই।আলোর ব্যবস্থাও নেই। নানান অপরাধমূলক কাজের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশন।আরপিএফ ইন্সপেক্টর সঞ্জয় প্রসাদ জানান,‘তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে আলো বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলাম।কিন্তু এখনও ব্যবস্থা হয়নি। এদিকে রেল পুলিশ সংখ্যায় কম।শুধুমাত্র একজন রেলপুলিশ দেওয়া হয়েছে তুফানগঞ্জ রেল স্টেশনে।তিনি রাতেই কাজ করেন।দিনের বেলায় এমন ঘটনায় রেল পুলিশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানসূত্র বের করা হবে।’

কীভাবে কি হল ছেলেটির সঙ্গে?

স্টাফ রিপোর্টার:- তুফানগঞ্জের অধিবাসী সৌরদীপ পাল (ইনসেটে) বর্তমানে এক বিশেষ পরিচিত মুখ ফেসবুকে।তিনি নানা বিষয়ে মানুষকে মোটিভেট করেন।বর্তমানে তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম মিলিয়ে 14k ফলোয়ার কে না জানে তাকে?বাচ্চা থেকে বুড়ো সকলেই চেনে তাকে।কিন্তু ইদানিং তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছে।ডাক্তার দেখিয়েছেন ডাক্তার বলেছেন,রাত জেগে কাজ করার জন্য এরূপ অবস্থা স্বাস্থ্যের।